এটা পশ্চিমবাংলা গুজব ছড়িয়ে পড়তে কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে। সেই চিরাচরিত অন্ধবিশ্বাসে মানুষ আজও ডুবে রয়েছে। মানুষ স্বাস্থ্য চিকিৎসা ব্যবস্থা যতনে বেশি বিশ্বাস করেন হয়তো তার চেয়েও বেশি বিশ্বাস করেন ঠাকুর-দেবতা তুকতাক ঝাড়ফুঁক এইসবে।
কয়েক বছর আগে শীতকালে লিঙ্গ ছোট হয়ে যায় এই গুজব যেমন ছড়িয়ে ছিল তেমনি করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ছে বা ছড়িয়ে গিয়েছে।
কয়েক বছর আগে শীতকালে লিঙ্গ ছোট হয়ে যায় এই গুজব যেমন ছড়িয়ে ছিল তেমনি করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ছে বা ছড়িয়ে গিয়েছে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এবং আক্রান্ত প্রতিরোধে এই গুজব । এই গুজবের প্রধান বক্তব্য গুলি এরকম যে মাটির ঘরের দোয়ারের ঈশান কোনে সামান্য মাটি খুললেই পাওয়া যাবে কাঠ কয়লা। সেই কাঠ কয়লা পাথর বাটি উপর রেখে গঙ্গা জল দিয়ে মেখে কপালের টিপ করতে হবে এবং তিনটি করে থানকুনি পাতা খেলে এই ভাইরাসে আক্রান্ত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে গতকাল রাত থেকে। রাতের মধ্যে বিভিন্ন স্থান থেকে ফোন আসতে থাকছে। আর ফোনের মাধ্যমে এই গুজব সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ছে। বলা হচ্ছে যে এইটা ভদ্রকালী এমন আদেশ করেছেন আবার কারো মুখে শোনা যাচ্ছে যে বাবা ভোলেনাথ এই আদেশ করেছেন। সকলের কাছে একান্ত ভাবে অনুরোধ যে এই ধরনের গুজবে কেউ কান দেবেন না।
গুজবে কান না দিয়ে বরং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যে তথ্য উপস্থাপন করেছেন তা মেনে চলুন কিছুটা এরকম হলো যে ......
1) এই করোনাভাইরাস ম্যান টু ম্যান ছড়িয়ে পড়ে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিকট কোন ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে তাই 1 থেকে 2 মিটার এর অধিক দূরত্বে দাঁড়িয়ে কথা বলা প্রয়োজন ।
2) কোন অপরিচিত লোকের সাথে হ্যান্ডশেক করা চলবে না। হাঁচি কাশি হলে অবশ্যই রুমাল বা কনই এর মধ্যে করতে হবে।
3)কোন কিছু বস্তু স্পর্শের মাধ্যমে এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে। অপরিষ্কার হাত নিজের চোখে নাকে মুখে দেওয়া যাবে না।
4)সর্বদা হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে।
Tags
Health