বেশ কয়েক দিন ধরে ঘাটালের বিভিন্ন স্থানে রমরমিয়ে হাট চলছিল। সোশ্যাল মিডিয়া দ্বারা বহুবার প্রচার করা সত্ত্বেও এই হাট গুলিকে বন্ধ করা যাচ্ছিল না। দাসপুর খাসবার সহ ঘাটালের বিভিন্ন স্থানে রমরমিয়ে হাট বসেছিল। এই হাটে বহু মানুষের সমাগম হচ্ছিল।
দাসপুরের এক বাসিন্দা থেকে করানো ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যে ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছে ২২ তারিখ মুম্বাই থেকে দাসপুরের বাড়িতে আসেন এবং প্রথম থেকেই তিনি সর্দি - জ্বরে ভুগছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। পরবর্তী সময়ে পরপর দুবার চেকআপ করার পর তার শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়ল। যার কারণেই দাসপুর এলাকার হাট গুলি ধীরে ধীরে সব বন্ধ হয়ে গেল। বহু মানুষের এই ধারণা আছে যে যেহেতু এই রোগটি এখনো কোন পাড়া ঘরে এসে পৌঁছায়নি তাই এখানে কোন ভাবে হওয়া সম্ভব নয় এই ভেবেই স্থানীয় এলাকার বিভিন্ন স্থানে এই হাটগুলি চলছিল।
সবচেয়ে উল্লেখ করার বিষয় যে এই হাটগুলোতে কোনভাবেই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছিল না যে কারণে অনেকটা আশঙ্কা করা হচ্ছিল যে এখান থেকে নানাভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই করোনা ভাইরাস। তাই পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় তড়িঘড়ি হাট গুলিকে বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছেন।
দাসপুরের এক বাসিন্দা থেকে করানো ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যে ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছে ২২ তারিখ মুম্বাই থেকে দাসপুরের বাড়িতে আসেন এবং প্রথম থেকেই তিনি সর্দি - জ্বরে ভুগছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। পরবর্তী সময়ে পরপর দুবার চেকআপ করার পর তার শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়ল। যার কারণেই দাসপুর এলাকার হাট গুলি ধীরে ধীরে সব বন্ধ হয়ে গেল। বহু মানুষের এই ধারণা আছে যে যেহেতু এই রোগটি এখনো কোন পাড়া ঘরে এসে পৌঁছায়নি তাই এখানে কোন ভাবে হওয়া সম্ভব নয় এই ভেবেই স্থানীয় এলাকার বিভিন্ন স্থানে এই হাটগুলি চলছিল।
সবচেয়ে উল্লেখ করার বিষয় যে এই হাটগুলোতে কোনভাবেই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছিল না যে কারণে অনেকটা আশঙ্কা করা হচ্ছিল যে এখান থেকে নানাভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই করোনা ভাইরাস। তাই পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় তড়িঘড়ি হাট গুলিকে বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছেন।
Tags
Health
