গতকাল বিকেলে পাঁচটা পর দীপক অধিকারী মনসুকা থেকে চলে যাওয়ার পর খেয়া ঘাট নৌকায় খেয়া পারানী নিয়ে গর্জে উঠলেন এক ব্যাক্তি।
দীপক অধিকারী আসার কারণে কিছুক্ষণ নৌকা পারাপার বন্ধ ছিল মনসুকা রানাঘাটে। যদিও মনসুকা রানা ঘাট ছাড়া অন্য ঘাট গুলি খেয়া দিচ্ছে না বন্যার সময় থেকে। এই কয়েক দিন জন প্রতি দশটাকা করে পারানী নেওয়া হয়েছে আজও নেওয়া হয়েছে।
বন্যার পর থেকে এই ভাবে অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হচ্ছে বলে অনেকে মনে মনে ক্রুদ্ধ হলেও মুখ বুজে সহ্য করে পারানী দিয়ে যাতায়াত করছে কিন্তু সুজিত দোলুই নামে ঐ ব্যক্তি ঘাট মালিকের ছেলের মুখের উপর বলে দিলেন খেয়া পারানী ১টাকা দুই চার গুণ হতে পারে তাহলে একেবারে দশগুণ? আমি একবারে দশটাকা দিয়েছি আর দেবনা।তিনি বলেন এই লকডাউনে মানুষের কাজ নেই খেতে পাচ্ছে না একবার খেয়া পারানী দশটাকা? কেন হবে?
এর উত্তরে খেয়া ঘাটের তরফ থেকে বলা হয় অন্য ঘাট গুলি বন্ধ আছে কেন ? আমাদের ঘাট দিয়ে পার হতে গেলে দশ টাকাই দিতে হবে। সকলে বেশ কয়েকদিন প্রতিবার জন প্রতি দশটাকা করে পারানী দিয়ে যাতায়াত করছেন।
